জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
জেলা পরিষদ

 

অফিসের নামঃ জেলা পরিষদ, চট্টগ্রাম

অফিস প্রধানের নামঃ সৈয়দা সারোয়ার জাহান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উপ-সচিব)

 

যোগাযোগের তথ্যঃ জেলা পরিষদ, কোর্ট রোড, চট্টগ্রাম

মোবাইলঃ ০১৭১০-৪৮৩৯৮৫, ০১৫৫৪-৩৪০৯৩৮


দাপ্তরিক টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বর-

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ০৩১-৬১৮৯১৯ (অফিস)

০৩১-৬৩৫৩১০ (বাসা)

সচিব ০৩১-৬১১৩২১ (অফিস)

০৩১-২৫৫১৫০৯ (বাসা)

সহকারী প্রকৌশলী ০৩১-৬৩২৯৬৮ (অফিস)

সার্বক্ষনিক যোগাযোগ ০৩১-৬৩৪১৮২

ফ্যাক্স- ০৩১-৬১০২৮৮


চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের হল বরাদ্দ ও ব্যবহার সংক্রান্ত নীতিমালা

ক) বরাদ্দ / ভাড়া প্রদান :-

১। জেলা পরিষদের হল বরাদ্দ / ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থাকে হল খালী থাকা সর্ম্পকে নিশ্চিত হয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদের বরাবরে অন্যূন ৭ (সাত) দিন পূর্বে লিখিতভাবে দরখাস্ত করতে হবে। দরখাস্তে অনুষ্ঠানের সময়সুচী ও বিষয়বস্ত্তর উল্লেখ থাকতে হবে।

২। দৈনিক ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা হারে হল ভাড়া বরাদ্দ / ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থাকে পরিশোধ করতে হবে। দিনের যে কোন অংশের জন্য পুরো দিনের নির্ধারিত ভাড়া প্রদেয় হবে।

৩। বরাদ্দ অনুমোদনের ১২ (বার) ঘন্টার মধ্যে সম্পূর্ণ ভাড়া পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় রশিদ সংগ্রহ করতে হবে, অন্যথায় বরাদ্দ বাতিল বলে গন্য হবে।

৪। হলের বরাদ্দ / ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা/ ব্যক্তি কোন কারনে বরাদ্দ / ভাড়া বাতিল করতে চান সেক্ষেত্রে উক্ত সংস্থা /ব্যক্তিকে লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে। অনুষ্ঠানের ৭(সাত) দিন পূর্বে আবেদন করলে ধার্যকৃত ভাড়ার ৫% হারে জরিমানা আদায় করা হবে। সাতদিনের কম সময়ে আবেদন করলে প্রত্যেক দিনের জন্য অর্থাৎ ৭ম দিবসে ১০%, ৬ষ্ঠ দিবসে ১৫%, ৫ম দিবসে ২০%, ৪র্থ দিবসে ২৫%, ৩য় দিবসে ৩০%, এক ২য় দিবসে ৩৫% জরিমানা আদায় যোগ্য হবে। এরপর আবেদন করলে তাহা গ্রহনযোগ্য হবেনা এবং এক্ষেত্রে পরিশোধকৃত সম্পূর্ণ ভাড়া জেলা পরিষদ তহবিলে বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে।

৫। জেলা পরিষদের প্রয়োজনে অথবা অন্য কোন কারনে বরাদ্দ যে কোন সময় বাতিল / প্রত্যাহার করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষন করবেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থাকে জমাকৃত ভাড়ার অর্থ ফেরৎ দেয়া হবে। তবে এজন্য কোন ক্ষতিপূরন দাবী করা যাবেনা।

খ) হল ব্যবহার বিধি:-

১। ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা হলের চার দেয়ালের বাইরে কোন জায়গা বা কক্ষ ব্যবহার করতে পারবেন না এবং হলের অভ্যন্তরের আসবাব পত্র বিনা অনুমতিতে স্থানান্তর করতে পারবেন না। ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা হলের পশ্চিম পার্শ্বের সংলগ্ন শৌচাগার ব্যবহার করতে পারবেন।

২। হলের অভ্যন্তরে মাইকের যে স্থাপনা ও সুবিধা আছে তার বাড়তি কোন সুবিধা বা বাইরে কোন হর্ণ বা সাউন্ড বক্স স্থাপন করা যাবেনা। সকাল ৯.০০ ঘটিকা থেকে অনুষ্ঠান শুরু করে রাত ৮.০০ ঘটিকার মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে। রাত ৮.০০ ঘটিকার পর অনুষ্ঠান চালানো যাবে না।

৩। কোন ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা যদি উপরোক্ত বিধি সমূহ লংঘন করেন তবে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষনিক ভিত্তিতে হল ব্যবহার বন্ধ করতে ও জরিমানা আরোপ করতে আইনত সক্ষম থাকবেন এবং ভবিষ্যতে উক্ত সংস্থাকে আর হল বরাদ্দ দেয়া হবে না।

৪। হলের ভিতরে চার দেয়ালে কোন প্রকার প্রচার পত্রিকা / পোষ্টার আটানো যাবেনা। এইরুপ প্রচার পত্রিকা / পোষ্টার আটানো একান্ত অপরিহার্য হলে কর্তৃপক্ষের পুর্বানুমতিক্রমে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহনের অনুমতি নিতে হবে।

৫। হলের ভিতরের দেয়ালে ‘‘কালামে পাকের পবিত্র আয়াত শরীফ’’ লিপিবদ্ধ আছে। আয়াত শরীফের অবমাননা হয় এমন কোন অনুষ্ঠান পালন করা যাবেনা।

৬। হলের আসবাব পত্রের কোন প্রকার ক্ষতি সাধন করা যাবেনা। কোন ক্ষতি সাধিত হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা নির্ধারিত হারে ক্ষতি পূরন দিতে বাধ্য থাকিবে।

৭। হল বরাদ্দসহ অন্য যে কোন উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গন্য হবে।

হল ভাড়া আদায় ও জমা :-

১। সংশ্লিষ্ট সংস্থার আবেদন বিবেচনা পূর্বক হল বরাদ্দ আদেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সহকারী রশিদ মুলে ভাড়ার অর্থ নগদে গ্রহন করবেন এবং বরাদ্দ সর্ম্পকে তথ্যাদি রেজিষ্টারে লিপিদ্ধ করবেন। বরাদ্দ গ্রহনে ইচ্ছুক ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে হল বরাদ্দ ও ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়ম জ্ঞাত করার জন্য অত্র বিধির সংশ্লিষ্ট ধারা সমুহের এক কপি সরবরাহ করতে হবে এবং দরখাস্তকারী শর্তাবলী পাঠ করে সন্তুষ্ট হলে সরবরাহকৃত বিধির একটি কপিতে স্বাক্ষর করে হল বুকিং সম্পন্ন করবেন এবং ভাড়া পরিশোধ করে রশিদ গ্রহন করবেন।

২। ভাড়ার অর্থ গ্রহনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে চালানমুলে হিসাবে রক্ষকের মাধ্যমে পরিষদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে এবং যথানিয়ম হিসাব সংরক্ষন করতে হবে।

৩। হল বরাদ্দ সংক্রান্ত সকল দরখাস্ত সংশ্লিষ্ট নথিতে ক্রমানুসারে সংরক্ষন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারী প্রত্যেক মাসের শেষ তারিখে হলের বরাদ্দ ও ভাড়ার বিষয়ে নথিতে নোট আকারে পেশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহন করবেন।

হল ব্যবহার বিধি:-

১। ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা হলের চার দেয়ালের বাইরে কোন জায়গা বা কক্ষ ব্যবহার করতে পারবেন না এবং হলের অভ্যন্তরের আসবাবপত্র বিনা অনুমতিতে স্থানান্তর করতে পারবেন না। তবে ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা হল সংলগ্ন শৌচাগার ও পশ্চিম পার্শ্বস্থ বারান্দা ব্যবহার করতে পারবেন।

২। হলের অভ্যন্তরে মাইকের যে স্থাপনা ও সুবিধা আছে তার বাড়তি কোন সুবিধা সৃষ্টি বা বাইরে কোন হর্ণ বা সাউন্ড বক্স স্থাপন করা যাবেনা। হল ব্যবহার সময়সুচী সকাল ৮.০০ ঘটিকা থেকে রাত ৮.০০ ঘটিকার মধ্যে সীমিত থাকবে। রাত ৮.০০ ঘটিকার পর অনুষ্ঠান চালানো যাবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে অতিরিক্ত ফি প্রদান সাপেক্ষে রাত ৮.০০ ঘটিকার পর ও অনুষ্ঠান করা যেতে পারে।

৩। কোন ভাড়া গ্রহনকারী সংস্থা যদি উপরোক্ত বিধি সমূহ লংগন করেন তবে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষনিক হল ব্যবহার বন্ধ করতে ও জরিমানা আরোপ করতে আইনত সক্ষম থাকবেন এবং ভবিষ্যতে উক্ত সংস্থাকে আর হল বরাদ্দ দেয়া হবে না।

৪। হলের ভিতরে চার দেয়ালে কোন প্রকার প্রচার পত্রিকা / পোষ্টার আটানো যাবেনা। এইরূপ প্রচার পত্রিকা / পোষ্টার আটানো একান্ত অপরিহার্য হলে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতিক্রমে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহনের অনুমতি নিতে হবে। তবে মঞ্চের পেছনে কাপড়ের ব্যানার টানাতে এবং ষ্টেন্ড / স্কচ ট্যাপ ব্যবহার করে পোষ্টার টানাতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে সভা অনুষ্ঠান শেষে সংশ্লিষ্ট ভাড়া গ্রহনকারী ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে উহা অপসারন করতে হবে।

৫। হলের ভিতরের দেয়ালে ‘‘কালামে পাকের পবিত্র আয়াত শরীফ ’’ লিপিবদ্ধ আছে। আয়াত শরীফের অবমাননা হয় এমন কোন অনুষ্ঠান পালন করা যাবেনা।

৬। হলের আসবাব পত্রের কোন প্রকার ক্ষতি সাধন করা যাবেনা। কোন ক্ষতি সাধিত হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা নির্ধারিত হারে ক্ষতি পূরন দিতে বাধ্য থাক্বে।

৭। হল বরাদ্দসহ অন্য যে কোন উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গন্য হবে।

৮। বরাদ্দ গ্রহনে ইচ্ছুক ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে হল বরাদ্দ ও ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়ম জ্ঞাত করার জন্য অত্র বিধির সংশ্লিষ্ট ধারা সমুহের এক কপি সরবরাহ করতে হবে এবং দরখাস্তকারী শর্তাবলী পাঠ করে সন্তুষ্ট হলে সরবরাহকৃত বিধির একটি কপিতে স্বাক্ষর করে হল বুকিং সম্পন্ন করবেন এবং ভাড়া পরিশোধ করে রশিদ গ্রহন করবেন।

হল ভাড়া আদায় ও জমা:-

১। সংশ্লিষ্ট সংস্থার আবেদন বিবেচনা পূর্বক হল বরাদ্দ আদেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সহকারী রশিদ মুলে ভাড়ার অর্থ নগদে গ্রহন করবেন এবং বরাদ্দ সর্ম্পকে তথ্যাদি রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করবেন। বরাদ্দ গ্রহনে ইচ্ছুক ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে হল বরাদ্দ ও ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়ম জ্ঞাত করার জন্য অত্র বিধির সংশ্লিষ্ট ধারা সমুহের এক কপি সরবরাহ করতে হবে এবং দরখাস্তকারী শর্তাবলী পাঠ করে সন্তুষ্ট হলে সরবরাহকৃত বিধির একটি কপিতে স্বাক্ষর করে হল বুকিং সম্পন্ন করবেন এবং ভাড়া পরিশোধ করে রশিদ গ্রহন করবেন।

২। ভাড়ার অর্থ গ্রহনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে চালানমুলে হিসাবে রক্ষকের মাধ্যমে পরিষদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে এবং যথানিয়ম হিসাব সংরক্ষন করতে হবে।

৩। হল বরাদ্দ সংক্রান্ত সকল দরখাস্ত সংশ্লিষ্ট নথিতে ক্রমানুসারে সংরক্ষন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মচারী প্রত্যেক মাসের শেষ তারিখে হলের বরাদ্দ ও ভাড়ার বিষয়ে নথিতে নোট আকারে পেশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহন করবেন।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত ডাক বাংলোর সীট ভাড়া থেকে আদায়কৃত অর্থ নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিতে পরিষদে জমা করার জন্য ডাকবাংলোয় কর্মরত দারোয়ান-কাম-কেয়ার টেকারদের আদেশ দেয়া হল:-

১। সংশ্লিষ্ট ডাকবাংলোর দারোয়ান-কাম-কেয়ার টেকারগন প্রত্যেক মাসে বেতন নিতে আসার সময় পূর্ববর্তী মাসের আদায়কৃত ভাড়া পরিষদের হিসাব রক্ষক-এর নিকট জমা করবেন।

২। ভাড়ার অর্থ জমা দেয়ার সময় ডাক বাংলোর ভাড়া আদায় রেজিষ্টার হিসাব রক্ষক-এর নিকট দাখিল করতে হবে। হিসাব রক্ষক রেজিষ্ট্রারের সাথে আদায়কৃত ভাড়ার হিসাব পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় মন্তব্য লিপিবদ্ধ করবেন।

৩। হিসাব রক্ষক সংশ্লিষ্ট দারোয়ান-কাম-কেয়ার টেকার কর্তৃক জমাকৃত অর্থ দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারীর মাধ্যমে ব্যাংকে জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট একাউন্টে জমা করবেন এবং চালানের কপি যথাযথভাবে সংরক্ষন করবেন।

৪। হিসাব রক্ষক এর ছাড়পত্র পাওয়ার পর মাসিক বেতন বিতরনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মচারী দারোয়ান-কাম-কেয়ার টেকার-এর মাসিক বেতন প্রদান করবেন। হিসাব রক্ষক-এর ছাড়পত্র পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট দারোয়ান-কাম-কেয়ার টেকার-কে বেতনের অর্থ প্রদান স্থগিত রাখতে হবে।

৫। ডাকবাংলোর দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী সকল ডাকবাংলোর ভাড়া বাবৎ আয়ের হিসাব একটি সাবসিডিয়ারী রেজিষ্টারে সংরক্ষন করবেন। উক্ত রেজিষ্টার সংরক্ষনের বিষয়টি হিসাব রক্ষক নিশ্চিৎ করবেন।

ডাকবাংলা সমুহের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও আয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষনের স্বার্থে এ আদেশ জারী করা হল এবং তা অনতিবিলম্বে কার্যকর হয়েছে বলে গন্য হবে। উপরোক্ত আদেশ পালনে কোনরুপ ব্যত্যয় ঘটলে তা অফিস শৃংখলা পরিপন্থি আচরন বলে গন্য করা হবে এবং তৎভিত্তিতে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

> >

সিটিজেন চার্টার

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা-সৈয়দা সারোয়ার জাহান

প্রকৌশল বিভাগ:-

জেলা পরিষদ কর্তৃক জেলার রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালর্ভাট, ডাকবাংলো, অডিটরিয়াম, যাত্রী ছাউনী, পাঠাগার, স্যানিটেশন বিভিন্ন সামাজিক / শিক্ষা / ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।

মূলত: বাজেট বরাদ্দের আওতায় নিজস্ব তহবিল এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) এর আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ দ্বারা উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হয়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিগনের নিকট হতে প্রাপ্ত প্রকল্প তালিকা (যা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে অথবা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা-র নিকট সরাসরি প্রেরিত) যাচাই / বাছাইক্রমে জেলা পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির অনুমোদন নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রেরন করা হয় এবং অনুমোদন প্রাপ্তির পর বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রমে PPR-2003 অনুসরনে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (Open Tendering Method) দরপত্র আহবান করা হয়। এছাড়া সামাজিক / শিক্ষা / ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প সমূহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার) টাকা মূল্যমানের প্রকল্প সমূহ প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়।

দরপত্র সংক্রান্ত তথ্য

দরপত্র বিজ্ঞপ্তি সাধারনত দু’টি জাতীয় পত্রিকা (যার মধ্যে একটি বাংলা এবং একটি ইংরেজী) এবং একটি স্থানীয় আঞ্চলিক পত্রিকায় বহুল প্রচারের জন্য প্রকাশ করা হয়।

দরপত্র বিক্রির স্থান সমূহ :- ১। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, চট্টগ্রাম বিভাগ

(১০.০০ লক্ষ টকা বা অধিক মূল্য মানের

প্রকল্পের ক্ষেত্রে)।

২। জেলা পরিষদ কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

৩। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সীতাকুন্ড,

হাটহাজারী, পটিয়া।

দরপত্র গ্রহনের স্থান সমূহ :- ১। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়,চট্টগ্রাম বিভাগ।

২। জেলা প্রশাসক কার্যালয়, চট্টগ্রাম জেলা।

৩। জেলা পরিষদ কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

৪। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সীতাকুন্ড,

হাটহাজারী, পটিয়া।

দরপত্র সমূহ যাচাই /বাছাই :- মূল্যায়ন কমিটির সভায় দরপত্র গ্রহনের ২ (দুই) সপ্তাহের করত: উপস্থাপন- মধ্যে।

দরপত্র অনুমোদন :- ২৫.০০ (পঁচিশ) লক্ষ টাকার নীচের প্রকল্প সমূহ জেলা

পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন করা

হয়। ২৫.০০ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের প্রকল্প সমূহ

চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরন করা হয়।

দরপত্র গ্রহনের পরবর্তী ৪ (চার) সপ্তাহের মধ্যে।

বিল পরিশোধ :- ঠিকাদার / প্রকল্প কমিটি কর্তৃক কাজ সম্পাদনের পর

বিলের জন্য আবেদন প্রাপ্তির ৫ কার্য দিবসের মধ্যে

প্রকৌশলী / সচিব/ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক সাইট

পরিদর্শনের পর কাজের মান সন্তোষ্টি সাপেক্ষে পরবর্তী ৩

(তিন) কার্যদিবসের মধ্যে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা নেয়া

হবে।

সময় বর্ধন ও জামানত ফেরতের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে ফি

প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে।

ঠিকাদারী লাইসেন্স ইস্যু :- শ্রেনী ভিত্তিতে নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে লাইসেন্স

ও নবায়ন। নবায়ন করা হয়। নতুন তালিকাভূক্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত

ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সমেত আবেদন করলে

অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেনীতে লাইসেন্স

প্রদান করা হয়।

সাধারন শাখা।

ইজারা কার্যক্রম নিয়ম / প্রক্রিয়া

জমি ইজারা :- পরিষদের মালিকানাধীন রাস্তার পাশ্বস্থ জমি/পতিত জমি

এক সনা ভিত্তিতে ইজারা দেয়া হয়। ইজারার জন্য

নির্ধারিত ফরমে (৫০/- টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে ) প্রধান

নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করতে হবে। কোন

ব্যক্তি বা সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে সার্ভেয়ার কর্তৃক

সরেজমিনে পরিদর্শনের পর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইজারা

দেয়া হয়। ইজারার হার জমির ধরন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন

হয়।

পুকুর ইজারা :- পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন পুকুর তিন সনা ভিত্তিতে

ইজারা দেয়া হয়। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মুখবন্ধ খামে

সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকুলে ইজারা দেয়া হয়। ইজারা

বিজ্ঞপ্তি দৈনিক পত্রিকায় / জেলা পরিষদ নোটিশ বোর্ডে

প্রকাশ করা হয়।

ঘাট ইজারা :- জেলা পরিষদ মালিকানাধীন বিভিন্ন খেয়াঘাট প্রতি অর্থ

বছরের শুরুর পূর্বে এক বছরের জন্য ইজারা দেয়া হয়।

ইজারা বিজ্ঞপ্তি জাতীয় / স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় এবং

জেলা পরিষদের নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়। উন্মুক্ত

দরপত্র বিজ্ঞপ্তি অনুসরনে সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকুলে

কার্যাদেশ দেয়া হয়।

মিলয়নাতন ভাড়া :- মিলনায়তন ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব

প্যাডে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করতে

হবে। এজন্য সর্বোচ্চ ৮ ঘন্টা ব্যবহারের জন্য ভাড়ার হার

৩৫০০/- টাকা বুকিং বাতিলের জন্য কমপক্ষে এক সপ্তাহ

পুর্বে অবহিত করতে হবে। অন্যথায় ১০০০/- টাকা কর্তন

করা হবে।

ডাকবাংলো ব্যবহার :- জেলা পরিষদ মালিকানাধীন সার্সন রোডস্থ ডাকবাংলো

এবং বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত ডাকবাংলো পূববর্তী বুকিং

সাপেক্ষে নির্ধারিত ভাড়ায় সাময়িক অবস্থানের জন্য বরাদ্দ

দেয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা / সচিবের সাথে

এবং উপজেলার ক্ষেত্রে স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারের

সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

শতাব্দীকালের বৃহত্তম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যাবলী বিভিন্ন সময়ে প্রনীত আইন ও অধ্যাদেশ মোতাবেক পরিচালিত হয়ে আসছে। লোকাল সেলফ গভর্নমেন্ট এ্যাক্ট ১৮৮৫ বলে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ডিষ্ট্রিক্ট বোর্ড ১৮৮৭ মাসের ৫ই এপ্রিল থেকেই জনসাধারনের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যাদী সম্পন্ন করে আসছে।

মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ ১৯৫৯ বলে নতুনভাবে সৃষ্ট ডিষ্ট্রিক্ট কাউন্সিল এর কার্যাবলী বাধ্যতামূলক এবং ঐচ্ছিক এই দুইভাগে বিভক্ত করে। বাধ্যতামূলক কার্যাবলীর মধ্যে ২৮টি এবং ঐচ্ছিক কার্যাবলীর মধ্যে ৭০টি কাউন্সিলের আওতায় আনা হয়। গত ২২-৯-১৯৭৬ সনে বাংলাদেশ গেজেট এক্সট্রা অর্ডিনারী-তে প্রকাশিত লোকাল গর্ভণমেন্ট অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর ৩৬ (১) আদেশবলে উক্ত অধ্যাদেশের তৃতীয় তফসিলের পার্ট-১ এ ২৭টি বাধ্যতামূলক এবং পার্ট-৩ এ ৩৭টি ঐচ্ছিক কার্যাবলীর বিবরণ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৮-তে জেলা পরিষদের কার্যাবলী ছিল দুইভাগে বিভক্ত, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক। তাবকলিক কার্যাবলী ছিল :- জেলার মধ্যে সকল উন্নয়ন উদ্যোগের পুনরীক্ষন, উপজেলা পরিষদকে সহযোগীতা ও উৎসাহ প্রদান এবং উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়নের পর্যালোচনা ও হিসাব নিরীক্ষা, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা বা সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নয় এ প্রকার জনপথ, কালর্ভাট ও ব্রীজের নির্মান, রক্ষনাবেক্ষন এবং উন্নয়ন, রাস্তার পার্শ্বে ও জনসাধরনের ব্যবহার্য স্থানে বৃক্ষ রোপন ও সংরক্ষন, জনসাধারনের ব্যবহারার্থে উদ্যান, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও উহাদের রক্ষনাবেক্ষন, সরকারী উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার রক্ষনা বেক্ষনে নয় এমন খেয়াঘাটের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ, সরাইখানা, ডাকবাংলো এবং বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষনাবেক্ষন, জেলা পরিষদের অনুরূপ কার্যাবলী সম্পাদনরত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগীতা, সরকার কর্তৃক জেলা পরিষদের উপর অর্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন, সরকার কর্তৃক আরোপিত অন্যান্য কাজ এবং ঐচ্ছিক কার্যাবলী ছিল।

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর প্রথম তফসিলের প্রথম অংশে নিম্নেবর্ণিত ১২টি বাধ্যতামূলক কাজের উল্লেখ আছে।

১। জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রমের পর্যালোচনা

২। উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি

পর্যালোচনা।

৩। সাধারন পাঠাগারের ব্যবস্থা ও উহার রক্ষনাবেক্ষন

৪। উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা বা সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নহে এই প্রকার জনপথ,

কালর্ভাট ও ব্রীজ এর নির্মান রক্ষনা বেক্ষন এবং উন্নয়ন।

৫। রাস্তার পার্শ্বে ও জনসাধারনের ব্যবহ্নত স্থানে বৃক্ষ রোপন ও উহার সংরক্ষন।

৬। জনসাধারনের ব্যবহ্নতস্থানে উদ্যান, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও উহাদের

রক্ষনাবেক্ষন।

৭। সরকারী উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার রক্ষনাবেক্ষনে নহে এমন খেয়াঘাটের

ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ।

৮। সরাইখানা, ডাকবাংলো এবং বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষনাবেক্ষন ।

৯। জেলা পরিষদের অনুরূপ কার্যাবলী সম্পাদনরত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সংগে সহযোগীতা।

১০। উপজেলা ও পৌরসভাকে সহায়তা, সহযোগীতা এবং উৎসাহ প্রদান।

১১। সরকার কর্তৃক জেলা পরিষদের উপর অর্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন।

১২। সরকার কর্তৃক আরোপিত অন্যান্য কাজ।

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় অংশে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যান, অর্থনৈতিক কল্যাণ, জনস্বাস্থ্য, গণপূর্ত ও সাধারন খাতে বিভিন্ন প্রকার কার্যাবলী সম্পাদনের বিধান রয়েছে।

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর দ্বিতীয় তফসিলে জেলা পরিষদ কর্তৃক আরোপনীয় কর, রেইট, টোল এবং ফি এর ৮টি বিষয়ের উল্লেখ আছে।

১। স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপর কর।

২। বিজ্ঞাপনের উপর কর।

৩। পরিষদের রক্ষনাবেক্ষনাধীন রাস্তা, পুল ও ফেরীর উপর টোল।

৪। পরিষদ কর্তৃক জনকল্যানমূলক কাজ সম্পাদনের জন্য রেইট।

৫। পরিষদ কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত স্কুলের ফিস।

৬। পরিষদ কর্তৃক কৃত জনকল্যান মূলক কাজ হইতে প্রাপ্ত উপকার গ্রহনের জন্য ফিস।

৭। পরিষদ কর্তৃক কৃত কোন বিশেষ সেবার জন্য ফিস

৮। সরকার কর্তৃক পরিষদকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আরোপিত কোন কর।

কারিগরী শাখার কার্যক্রম।

১। অনুমোদিত বাজেট বরাদ্দের আলোকে নিজস্ব তহবিলের আওতায় প্রকল্প গ্রহন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে প্রাপ্ত আবেদন প্রত্র সমূহ বিবেচনা এবং যাচাই বাছাই করে নীতিমালা অনুযায়ী উন্নয়নমূলক প্রকল্প যথা:রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালর্ভাট, সামাজিক সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন।

২। এডিপি’র সাধারন / বিশেষ বরাদ্দের আওতায় নীতিমালা অনুযায়ী উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহন।

৩। নিজস্ব তহবিল এবং এডিপি’র আওতায় গৃহীত প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়ন সুষ্ঠ তদারকীর মাধ্যমে কাজের গুনগতমান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গৃহীত উন্নয়নমূলক প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করন।

৪। টেন্ডারের মাধ্যমে গৃহীত প্রকল্প সমুহের পিপিআর-২ বা ৩ অনুযায়ী ঠিকাদার নির্বাচন। চুক্তি সম্পাদন এবং বিল পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহন।

৫। সিপিপিইউ-এর মাধ্যমে গৃহীত প্রকল্প সমূহের ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুযায়ী চুক্তিপত্র সম্পাদন এবং বিল পরিশোধের ব্যবস্থা।

৬। উন্নয়নমূলক কাজের প্রাক্কলন প্রস্ত্ততি, টেন্ডার আহবানের ব্যবস্থা গ্রহন।

জেলা পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত

জনবল-৪

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

x প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (প্রেষনে) x চেয়ারম্যান (নির্বাচিত)

x সাঁটলিপিকার x সাঁটলিপিকার

x ড্রাইভার x ড্রাইভার

x এমএলএস এস x এমএলএসএস


কারিগরী উইং প্রশাসনিক উইং

জনবল-১১ জনবল-১৩

x সহকারী প্রকৌশলী (প্রেষনে) x সচিব (প্রেষনে)

x উপসহকারী প্রকৌশলী (প্রেষনে-২, নিজস্ব-১) x প্রশাসনিক অফিসার

(১ম ক্যাটাগরী জেলা)

ক) উপসহকারী প্রকৌশলী,সদর-১ (প্রেষনে) x প্রধান সহকারী

দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সমূহ :- x উচ্চমান সহকারী

মহানগর,ফটিকছড়ি,রাউজান, হাটহাজারী x হিসাব রক্ষক/সহকারী

বোয়ালখালী। হিসাব রক্ষক

খ) উপসহকারী প্রকৌশলী-২ (প্রেষনে) x নিম্নমান সহকারী কাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সমূহ :- মুদ্রাক্ষরিক

সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, x ড্রাইভার।

রাংগুনীয়া, চন্দনাইশ। x ডুপ্লিকেটিং-মেশিন

গ) উপসহকারী প্রকৌশলী-৩ (জেপচ-নিজস্ব) অপারেটর

দায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা সমূহ :- x প্রহরী।

সন্দ্বীপ, সীতাকুন্ড, মিরসরাই, পটিয়া, x বার্তা বাহক।

আনোয়ারা। ২ x এমএল এসএস

x উচ্চমান সহকারী x সুইপার।

x নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক

x ওয়ার্ক এ্যাসিষ্ট্যান্ট / সার্ভেয়ার (প্রেষনে)

x ইলেকট্রিশিয়ান

x এমএলএসএস

পাবলিক লাইব্রেরী সমূহের ব্যবস্থাপত্র

পটিয়া পাবলিক লাইব্রেরী।

১। জনাব আজিজুল হক চৌধুরী (লাইব্রেরীয়ান)

২।................................................ (চৌকিদার)

ফটিকছড়ি পাবলিক লাইব্রেরী।

১। লাইব্রেরীয়ান (শূন্য)

২। চৌকিদার (শূন্য)। জনাব জাফর আহমদ (অতি: দায়িত্ব)

সীতাকুন্ড পাবলিক লাইব্রেরী।

১। লাইব্রেরীয়ান (শুন্য)

২। জনাব ............................ (চৌকিদার)

সন্দ্বীপ পাবলিক লাইব্রেরী।

১। লাইব্রেরীয়ান (শুন্য)

২। চৌকিদার (শুন্য)

সেবা কার্যক্রম নির্দেশিকা

সেবা জনগণের জন্য। মানুষ নিরাপদ ও উপদ্রবহীন জীবন যাপন করতে চায়। প্রত্যুষে ঘুম থেকে জেগে দুষণমুক্ত বায়ুতে বুক ভরে শ্বাস নেবার প্রত্যাশায় প্রত্যেকে বাতায়ন খোলে। কাজের উদ্দেশ্যে পরিচ্ছন্ন রাস্তায় হেঁটে যেতে চায়। মানুষ শিক্ষা চায় তার নিজের জন্য, সন্তানের জন্য আর যারা নির্ভরশীল তাদের জন্য। মানুষের প্রয়োজন সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা ও নিরাপদ পরিবেশ। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের আর্থিক পৃষ্ঠ পোষকতা সহ সকলের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিতে সদা তৎপর। তাই উন্নত আদর্শ সেবার পরিবেশ সৃষ্টি ও STAR (S for Simple, T for Transparent, A for Accountable, R for Responsive) System in Governance অর্জনের জন্য এ নাগরিক সেবা নির্দেশিকা (Citizens’ Charter) প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সকলের সামগ্রিক সহযোগিতা এ উদ্যোগকে সফল ও সার্থক করে তুলবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

উদ্দেশ্যঃ

সুশাসনই উন্নয়ন আর প্রশান্তির মুল চালিকা শক্তি। প্রশাসন ও নাগরিকের সর্ম্পকের স্বরূপই নির্দেশ করে সুশাসনের অবস্থান কোথায় ? প্রশাসন ও নাগরিক সম্পর্ক একটি আপেক্ষিক বিষয় যা সময়, পরিস্থিতি, প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ইত্যাদি কারণে মাপকাঠিতে উঠানামা করে। তারপরও আমরা চাই সুশাসন সর্বস্তরে। যার উদ্দেশ্য আমাদের নিম্নোক্ত পদক্ষেপ সমূহ-

1. জেলা পরিষদ প্রদত্ত সেবাসমুহের সকল তথ্য জনগণের জন্য উম্মুক্তকরণ :

2. জনগণের দু:খ-দুর্দশা সম্পর্কে সময়মত অবহিত হওয়া ও তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি নিখুঁত পদ্ধতি প্রতিষ্ঠাকরণ:

3. জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস এবং সহযোগিতার মনোভাব সৃজন ও গন সচেতনতা বৃদ্ধি করা;

4. জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং নিশ্চিতকরণের জন্য প্রশাসন ও জনগণের সম্পর্কে সহজ-সরল ও বাধামুক্তকরণ;

5. সময়ের দাবী অনুসারে জেলা পরিষদের সকল কার্যক্রমে স্বয়ংক্রিয় অংশ গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পরিবেশ সৃষ্টির জন্যে ই-গভর্নেন্স পদ্ধতির প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ।

6. জেলা পরিষদের সকল সেবা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, দক্ষতা, জন-বন্ধুত্ব ও গতিশীলতাকে প্রাধান্য দেয়া।

শতাব্দী প্রাচীন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যাবলী বিভিন্ন সময়ে প্রনীত আইন ও অধ্যাদেশ মোতাবেক পরিচালিত হয়ে আসছে। লোকাল সেলফ গভর্ণমেন্ট এ্যাক্ট ১৮৮৫ বলে প্রতিষ্ঠিত তৎকালীন ডিষ্ট্রিক্ট বোর্ড বর্তমানকালের জেলা পরিষদ ১৮৮৭ সালের ৫ই এপ্রিল থেকে জেলাধীন আপামর জনসাধারনের জন্য বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ ১৯৫৯ বলে নতুনভাবে সৃষ্ট ডিষ্ট্রিক্ট কাউন্সিল এর কার্যাবলী বাধ্যতামূলক এবং ঐচ্ছিক এই দুই ভাগে বিভক্ত করে। বাধ্যতামূলক কার্যাবলীর মধ্যে ২৮টি এবং ঐচ্ছিক কার্যাবলীর মধ্যে ৭০ টি কাউন্সিলের আওতায় আনা হয়। গত ২২-৯-১৯৭৬ সনে বাংলাদেশ গেজেট এক্সট্রা অর্ডিনারী-তে প্রকাশিত লোকাল গর্ভণমেন্ট অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর ৩৬ (১) আদেশবলে উক্ত অধ্যাদেশের তৃতীয় তফসিলের পার্ট-১ এ ২৭টি বাধ্যতামূলক এবং পার্ট-৩ এ ৩৭টি ঐচ্ছিক কার্যাবলীর বিবরণ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৮-তে জেলা পরিষদের কার্যাবলী আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক নামে দুই ভাবে বিভক্ত ছিল। সর্বশেষ জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর প্রথম তফসিলের প্রথম অংশে নিম্নেবর্ণিত ১২টি বাধ্যতামূলক কাজের উল্লেখ আছে। জেলা পরিষদের কার্যক্রম বা এর উপর অর্পিত দায়িত্ব সমূহ :

১। জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রমের পর্যালোচনা- চেয়ারম্যান পদ শুন্য থাকায় ১ ও ২নং ক্রমিকে উল্লেখিত

২। উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন কাজ দুটি বর্তমানে জেলা উন্নয়ন

প্রকল্প সমুহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা। সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে

পরিচালিত হচ্ছে।

৩। সাধারন পাঠাগারের ব্যবস্থা ও উহার রক্ষনা বেক্ষনা বেক্ষন।

৪। উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা বা সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নহে এই প্রকার জনপথ,

কালর্ভাট ও ব্রীজ এর নির্মান রক্ষনা বেক্ষন এবং উন্নয়ন।

৫। রাস্তার পার্শ্বে ও জনসাধারনের ব্যবহৃত স্থানে বৃক্ষ রোপন ও উহার সংরক্ষন।

৬। জনসাধারনের ব্যবহৃত স্থানে উদ্যান, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও উহাদের

রক্ষনা বেক্ষন।

৭। সরকারী উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার রক্ষনাবেক্ষনে নহে এমন খেয়াঘাটের

ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ।

৮। সরাইখানা, ডাকবাংলো এবং বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষনা বেক্ষন।

৯। জেলা পরিষদের অনুরূপ কার্যাবলী সম্পাদনরত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সংগে সহযোগিতা।

১০। উপজেলা ও পৌরসভাকে সহায়তা, সহযোগীতা এবং উৎসাহ প্রদান।

১১। সরকার কর্তৃক জেলা পরিষদের উপর অর্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন।

১২। সরকার কর্তৃক আরোপিত অন্যান্য কাজ।

কারিগরী শাখার কার্যক্রম

কাজের প্রকৃতি ও সম্পাদনের সময়সীমাঃ

প্রকল্প গ্রহণ : স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংস্থা

এবং প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে প্রাপ্ত আবেদনপত্র সমূহ

বিবেচনা এবং যাচাই ও বাছাই করে নীতিমালা অনুযায়ী

উন্নয়নমূলক প্রকল্প যথা রাসত্মাঘাট, ব্রিজ-কালর্ভাট

নির্মান/পুন:নির্মান সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষা

প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ।

প্রকল্প অনুমোদন : গৃহীত প্রকল্প সমূহ প্রাথমিকভাবে জেলা পরিষদ উন্নয়ন

সমন্বয় কমিটিতে অনুমোদনের পর মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ

করা হয়। মন্ত্রণালয় হতে চুড়ামত্ম অনুমোদন প্রাপ্তির পর

বাসত্মবায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

দরপত্র আহবান ও গ্রহণ:পিপিআর-২০০৮ অনুসরনে ২৮দিনের মধ্যে দরপত্র

আহবান ও গ্রহনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। দরপত্র মূল্যায়ণ : পিপিআর/২০০৮

অনুসরনে দরপত্র গ্রহনের ১৪ দিনের

মধ্যে দরপত্র মূল্যামানের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

দরপত্র অনুমোদন : ২৫.০০ (পঁচিশ) লক্ষ টাকার নীচের মূল্যমানের প্রকল্প

সমূহ জেলা পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে

অনুমোদন করা হয়। ২৫.০০ লক্ষ টাকার অধিক

মূল্যমানের একক প্রকল্প সমূহ চুড়ামত্ম অনুমোদনের জন্য

মন্ত্রণালয়ে প্রেরন করা হয়। দরপত্র গ্রহনের পরবর্তী

৪(চার) সপ্তাহের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়।

NOA প্রদান : পিপিআর/২০০৮ অণুসরনে দরপত্র গৃহীত হওয়ার

৩(তিন) দিনের মধ্যে NOA প্রদান করা হয় এবং

২(দুই) সপ্তাহের মধ্যে চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হয়।

কাজ বাসত্মবায়নের: প্রকল্পের প্রকৃতি অনুযায়ী ১ মাস হতে ১২ মাস পর্যমত্ম।

সময়সীমা

প্রকল্পের সময়বর্ধন ও : সময় বর্ধন ও জামানত ফেরতের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি

জামানত ফেরত প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করা হলে আবেদন গ্রহনের

তারিখ হতে ১(এক) সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধামত্ম প্রদান করা

হয়।

িকাদারী লাইসেন্স ইস্যু: শ্রেণী ভিত্তিতে নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে লাইসেন্স

নবায়ন করা হয়। নতুন তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত

ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমেত আবেদন করলে

অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে জেলা পরিষদ উন্নয়ন

সমন্বয় কমিটির সভায় সিদ্ধামত্ম গ্রহণ পূর্বক বিভিন্ন

শ্রেণীতে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।