জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
 
সচরাচর জিজ্ঞাস্য
সাধারন শাখা
জিজ্ঞাস্য সমূহ


ইট ভাটার লাইসেন্স সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাঃ

 

ক্রমিক নং

প্রশ্ন

উত্তর

০১.

ইট ভাটার লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি কি ?

জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করলে তা সংশিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পাঠানো হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিবেদন সন্তোষজনক হলে তা পরিবেশ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করে ছাড়পত্র প্রদান করলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

০২.

কি কি কাগজপত্র আবশ্যক ?

ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদপত্র, আয়কর সার্টিফিকেট, ভ্যাট সার্টিফিকেট, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট, লে আউট পল্যান, মৌজা ম্যাপ, খাজনার রশিদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের অনাপত্তি।

০৩.

ইট ভাটার লাইসেন্স ফি কত ?

ফি -৫০০/- টাকা।

০৪.

ইট ভাটার লাইসেন্সের নবায়ন ফি কত ?

নবায়ন ফি- ৫০০/- টাকা (প্রতিবছরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের প্রেক্ষিতে)।



ব্যবসা ও বানিজ্য শাখা
জিজ্ঞাস্য সমূহ

জুয়েলারী লাইসেন্স সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাঃ

 

ক্রমিক নং

প্রশ্ন

উত্তর

০১.

জুয়েলারী লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি কি ?

ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা থেকে নির্দিষ্ট ফরম সংগ্রহ পূর্বক পূরণ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করলে তা সংশিলষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য পাঠানো হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সন্তোষজনক প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

০২.

কি কি কাগজপত্র আবশ্যক ?

দোকান ঘরের ভারাটিয়ানামা/ দলিল, খাজনার রশিদ, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদপত্র, ব্যাংক সলভেন্সী সার্টিফিকেট।

০৩.

জুয়েলারী লাইসেন্স ফি কত ?

ফি -১০০০/- টাকা।

০৪.

জুয়েলারী লাইসেন্সের নবায়ন ফি কত ?

নবায়ন ফি- ৫০০/- টাকা।


লৌহজাত দ্রব্যাদি বিক্রয়ের লাইসেন্স সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাঃ


ক্রমিক নং

প্রশ্ন

উত্তর

০১.

লৌহজাত দ্রব্যাদি বিক্রয়ের লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি কি ?

ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা থেকে নির্দিষ্ট ফরম সংগ্রহ পূর্বক পূরণ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করলে তা সংশিলষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য পাঠানো হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সন্তোষজনক প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

০২.

কি কি কাগজপত্র আবশ্যক ?

দোকান ঘরের ভারাটিয়ানামা/ দলিল, খাজনার রশিদ, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদপত্র, ব্যাংক সলভেন্সী সার্টিফিকেট।

০৩.

লৌহজাত দ্রব্যাদি বিক্রয়ের লাইসেন্স ফি কত ?

ফি -১০০০/- টাকা।

০৪.

লৌহজাত দ্রব্যাদি বিক্রয়ের লাইসেন্সের নবায়ন ফি কত ?

নবায়ন ফি- ৫০০/- টাকা।



আগ্নেয়াস্ত্র শাখা
জিজ্ঞাস্য সমূহ

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাঃ

ক্রমিক নং

প্রশ্ন

উত্তর

০১.

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সের আবেদন ফরম কোথায় পাওয়া যায় ?

জে.এম শাখায় অথবা ফটোকপি।

০২.

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি কী ?

একনালা/ দুইনালা বন্দুক / রাইফেল লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পর ডিএসবি শাখার সন্তোষজনক মতামত প্রাপ্তি সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

পিসতল/ রিভলবার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করলে ডিএসবি শাখার সন্তোষজনক মতামত প্রাপ্তির পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

০৩.

কাকে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান করা যায় ?

বিশিষ্ট শিল্পপতি যার বাৎসরিক আয়কর-২,০০,০০০/- টাকা। লাইসেন্সধারীর বার্ধক্যজনিত কারণে এবং মৃত্যুজনিত কারণে ওয়ারিশের অনুকূলে অস্ত্র হসতান্তরের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

০৪.

বয়স ?

একনালা/ দুইনালা বন্দুক/ রাইফেল লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ২৫ বৎসর।

পিসতল/ রিভলবার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে- ৩২ বৎসর।

০৫.

কি কি কাগজপত্র আবশ্যক ?

জন্ম নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়কর সার্টিফিকেট, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ওয়ারিশান সার্টিফিকেট।

০৬.

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ফি কত ?

একনালা/ দুইনালা বন্দুক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি- ২০০০/- টাকা।

পিসতল/ রিভলবার/ রাইফেল লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি- ৪০০০/- টাকা।

০৭.

কখন নবায়ন করতে হয় ?

সাধারণত প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে নবায়ন করতে হয়। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ ক্ষমতায় নবায়নের সময়সীমা পরবর্তী বছরের জানুয়ারী মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করে থাকেন।

০৮.

নবায়ন ফি কত ?

একনালা/ দুইনালা বন্দুকের লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি-৮০০/- টাকা।

পিসতল/ রিভলবার/ রাইফেল এর লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি- ২০০০/- টাকা।



বহিরাগমন ও পাসপোর্ট শাখা
জিজ্ঞাস্য সমূহ

=

ক্রমিক নং

প্রশ্ন

উত্তর

০১.

পাসপোর্ট পাওয়ার পদ্ধতি কী ?

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে সন্তোষজনক প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে পাসপোর্ট প্রদান করা হয়।

০২.

আবেদন ফরম কোথায় পাওয়া যায় ?

এ কার্যালয় হতে বিনামূল্যে আবেদন ফরম বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও এ তথ্য বাতায়ন থেকে ফরম ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে।

০৩.

পূরণকৃত আবেদন ফরম কখন জমা নেয়া হয়?

সকাল ৯.৩০ ঘটিকা হতে ১.০০ ঘটিকা পর্যন্ত কাউন্টারের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন গ্রহন করা হয়।

০৪.

ফি কত?

২৭ মার্চ ২০১০ তারিখের পরিপত্রের মাধ্যমে পূননির্ধারিত ফি সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

০৫.

আবেদন গ্রহণের কতদিন পর পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়?

আবেদনকারীদের অনুকুলে পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে অতি জরুরী ৭২ ঘন্টার পর, জরুরী ১১ দিন পর এবং সাধারন পাসপোর্ট ২১ দিন পর বিতরন করা হয়।

০৬.

কখন ও কী ভাবে পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়?

প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর আবেদনকারীদের অনুকুলে নির্ধারিত সময়ে অতি জরুরী, জরুরী ও সাধারন, নবায়ন ও সংযোজন পাসপোর্ট সমূহ আলাদা কাউন্টারের মাধ্যমে সকাল ৯.৩০ ঘটিকা হতে ৫.০০ ঘটিকা পর্যন্ত সার্বক্ষণিক ভাবে পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়।

০৭.

কি কি কাগজপত্র আবশ্যক ?

নতুন আবেদনঃ- নাগরিক সনদ, ভোটার আইডি কার্ড। সরকারী চাকুরীজীবীর ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র।

নাম সংশোধনের ক্ষেত্রেঃ- নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে এস এস সি বা সমমানের সনদ/ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের হলফনামা অথবা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আবশ্যক।

সন্তানের নাম সংযোজনের ক্ষেত্রে: - সন্তানের জন্ম সনদ।